শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
সিদ্ধিরগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের অন্তর্ভূক্ত। আসনটিতে বিএনপি ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজহারুল ইসলাম মান্নানের নাম ঘোষণা করলেও তিনি ছাড়াও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন আরও কয়েকজন বিএনপি নেতা।
তারা হলেন, সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. আল মুজাহিদ মল্লিক।
আসনটিতেও ধানের শীষের বিরুদ্ধে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী অপেক্ষা করছে। এতে নিজ দলের প্রার্থী জয়ের পথ সংকীর্ণ করবে যার সুবিধা নেবে বিরোধী দলের প্রার্থীরা।
নারায়ণগঞ্জ-২
এ আসনে বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম আজাদের নাম ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে দল। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি আসনটিতে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। কিন্তু আড়াইহাজার উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে এবার মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর ও তার ভাতিজা বিএনপির সহঅর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান সুমন।
স্থানীয় বিএনপির নেতারা বলছেন, চাচা ও ভাতিজা দু’জনই তাদের বলয়ের নেতাকর্মীদের নিয়ে আজাদের পক্ষে প্রচারণায় বিরত রয়েছেন। বরং নিজেরাই স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
নারায়ণগঞ্জ-১
রূপগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে বিএনপি মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুর নাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। তিনি বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক। কিন্তু মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন যুবদলের এক নেতাও। যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ দুলাল হোসেন স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে প্রস্তুতি নিয়েছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষণ মতে বিএনপি নিজের মধ্যে বিদ্রোহ প্রার্থী হয়ে যদি নির্বাচন করে। তাবে তারা নিজস্ব ভোটার ও অনুসারীদের ভোট পাবে না। নিজেদের মধ্যে কোন্দল সৃষ্টি হবে। এতে জামায়াত বা অন্য দলগুলো নির্বাচনে এগিয়ে থাকবে বলেও ধারণা করছেন তারা।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...