বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে জোর আলোচনা ফাইতংয়ে লাগাতার বন্য হাতি তান্ডবে কৃষকের হাজার স্বপ্ন এবার চোখে কান্না আড়াইহাজার থানা পুলিশ কর্তৃক ৩ রাউন্ড গুলিসহ ম্যাগাজিন ও ১ টি বিদেশি পিস্তল উদ্ধার। নারায়ণগঞ্জ-৪ এ ভোটের জরিপে এগিয়ে হাতি প্রতীকের মোহাম্মদ আলী নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী মুফতি মনির হোসেন কাসেমীর নির্বাচনী উঠান বৈঠক নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে হাতি প্রতীকের পক্ষে গণসংযোগে ব্যাপক সাড়া শাসনগাঁও হাবুলের ব্রিজ এলাকায় খেজুরগাছ মার্কার নির্বাচনী ক্যাম্প উদ্বোধন মুফতি কাসেমী বিজয়ী হলে ভবিষ্যতে মন্ত্রী হয়ে উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন: মাসুদুজ্জামান বক্তাবলীতে হাতি প্রতীকের জোয়ার, মোহাম্মদ আলীর নজিরবিহীন গণসংযোগ গোগনগরে হাতি প্রতীকের গণজোয়ার, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর জনসংযোগে জনসমর্থনের উচ্ছ্বাস

কমেন্টে চুদ লিং পং বলায় সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ ৫ জন আহত

সচেতন রিপোর্ট / ১৭৭ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:০৩ পূর্বাহ্ন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাব পৌরসভার রসুলপুর এলাকায় ফেসবুক পোস্টে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১১টার দিকে এ সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধসহ পাঁচজন আহত হন। গুলিবিদ্ধ শহিদুল ওরফে ডাকাত শহিদুলকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি তারাব পৌরসভার বরাব ছাপরা মসজিদ এলাকার আল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, রসুলপুর এলাকার মৃত সুজাত আলীর ছেলে সাকিবুল হাসান ‘রূপগঞ্জ মানবাধিকার সংস্থার সদস্য’ হওয়ার বিষয়টি নিজের ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন। ওই পোস্টে একই এলাকার আবু দায়েন প্রধানের ছেলে এবং ৯নং ওয়ার্ড ছাত্রদল উত্তরের সাবেক সভাপতি মাহিম মিরাজ “চুদ লিং পং” লিখে মন্তব্য করেন। এ মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই রাতে সাকিবুল হাসান ও মাহিম মিরাজের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে উভয় পক্ষের লোকজন পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের সময় সাকিবুলের বাড়িসহ আশপাশের কয়েকটি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এসময় সাবেক যুবলীগ নেতা শহিদুল ইসলাম ওরফে ডাকাত শহিদুল মাহিমের পক্ষে সংঘর্ষে অংশ নেন এবং গুলিবিদ্ধ হন।

“আমি বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন রূপগঞ্জ শাখার সদস্য নির্বাচিত হই—এ খবরটি আমি নিজের ফেসবুকে পোস্ট করি। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে স্থানীয় যুবদল নেতা রবিউলের ভাগিনা সন্ত্রাসী মাহিম মিরাজ ওই পোস্টে আপত্তিকর মন্তব্য করে। আমি প্রতিবাদ জানালে মাহিম তার ক্যাডার বাহিনী নিয়ে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। সংঘর্ষের সময় রূপগঞ্জের শীর্ষ সন্ত্রাসী ডাকাত শহিদুলও অস্ত্র নিয়ে তাদের সঙ্গে ছিল। নিজের গুলি নিজেই ছুড়ে গুলিবিদ্ধ হন শহিদুল। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই,” অভিযোগ করেন সাকিবুল।

রূপগঞ্জ থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, “ফেসবুক পোস্টে মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। দুই পক্ষের প্রায় পাঁচজন আহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হবে।”

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...